ছোটদের বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে রচনা: ছোটদের বঙ্গবন্ধু

প্রিয় শিক্ষার্থী নিচের রচনাটি শুধু মাত্র তাদের জন্য যারা ছোটদের বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে রচনা অথবা ছোটদের বঙ্গবন্ধু রচনা গুগলে খুজে বেড়াচ্ছো। তুমি এই রচনাটি কয়েক বার পড়ে তোমার অনুশীলন খাতায় কয়েকবার লেখার চেষ্টা করো, দেখবে তুমি এই আইডিয়া নিয়ে তুমি আরোও সুন্দর ও সহজ ভাষায় লিখতে পারবে, তবে হে, ভুলেও জীবনে কোন রচনা মুখস্ত করতে যাবে না কেবল রচনার যেসকল গুরুত্বপূর্ণ তথ্য ও শব্দ গুলো ভালো করে অনুশীলন করবে।{getToc} $title={ছোটদের বঙ্গবন্ধু রচনা}

ছোটদের বঙ্গবন্ধু রচনা | ছোটদের বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে রচনা
ছোটদের বঙ্গবন্ধু রচনা

ছোটদের বঙ্গবন্ধু

ভূমিকা

বাংলাদেশের সব থেকে প্রিয় যে মানুষটি। যিনি আমাদের জাতির গর্ব। যার দেশপ্রেম আমাদের ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাছে অনুকরণীয় তিনি আর কেউ নন তিনি আমাদের বঙ্গবন্ধু শেখ মজিবুর রহমান। যাকে আমরা বাংলাদেশ হিসেবে চিনি। বাংলাদেশ নামটি যেখানেই দেখি যেখানেই শুনি তখনি চোখের সামনে ভেসে ওঠে মুক্তিযুদ্ধের কথা, আমাদের দেশের কথা। তার মধ্যে সবচেয়ে জনপ্রিয় হলেন বাংলাদেশের জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু।

বঙ্গবন্ধু মানে বাংলাদেশ

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান শুধু একটি নামই নয়। বঙ্গবন্ধু একটি প্রতিষ্ঠান একটি সত্তা একটি নতুন ইতিহাস একটা নতুন অনুভূতি। বঙ্গবন্ধু মানে বাংলাদেশ। যতদিন বাংলাদেশ থাকবে বাঙ্গালী থাকবে এ দেশের জনতা থাকবে ততদিন বঙ্গবন্ধুর সবার অনুপ্রেরণার উৎস হয়ে থাকবে চিরদির বেচে থাকবে আমাদের অন্তরে। বঙ্গবন্ধু তার সারাজীবন যেন শুধুই বাংলাদেশের জন্য শৈশব থেকে শুরু করে ভাষা আন্দোলন, ৬ দফা আন্দোলন, মুক্তিযুদ্ধ, স্বাধীনতা বাংলাদেশ গড়ে তোলা সবখানে বঙ্গবন্ধু পদচারণা। 

বঙ্গবন্ধুর জন্ম ও পরিচয়

জাতির জনক বঙ্গবন্ধু হাজার ১৭ মার্চ ১৯২০ সালের গোপালগঞ্জ জেলায় টুঙ্গিপাড়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তার পিতা শেখ লুৎফর রহমান এবং মাতা সায়রা খাতুন। তারা দুই ভাই চার বোন তাদের মধ্যে তিনি ছিলেন তৃতীয়। সবাই তাকে আদর করে খোকা-খোকা বলে ডাকতেন।

বঙ্গবন্ধু শিক্ষাজীবন

বঙ্গবন্ধু ছোট বেলায় প্রাইমারি জীবন শেষ করার পর নিজ জেলা গোপালগঞ্জ মিশন হাই স্কুলে ভর্তি হন এবং ঐ স্কুল থেকে ১৯৪১ সালে তিনি ম্যাট্রিক পাস করেন। এবং ১৯৪২ সালে ইন্টারপাস করে আইন পড়ার জন্য ভর্তি হয় ভারতের কলকাতা ইসলামিয়া কলেজে। ১৯৪৪ সালে তিনি কলকাতা ইসলামিয়া কলেজ থেকে আইনে এবং ১৯৪৬ সালে বিএ পাস করেন তিনি। 

বঙ্গবন্ধু রাজনৈতিক সময়কাল

বঙ্গবন্ধু ১৯৪৭ সালে ইসলামিয়া কলেজ ছাত্র সংসদের সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন। তিনি ১৯৪৭ সালের দেশ বিভাগ পর তিনি আইন পড়ার জন্য ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি হন। বঙ্গবন্ধু ছোটদের ভীষণ ভীষণ ভালবাসতেন। কচি-কাঁচার মেলা ও খেলাঘর ছিল তার প্রিয় সংগঠন। কৈশোরে আজকের প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনাকে কচি-কাঁচার আসর এ ভর্তি করিয়ে দিয়ে ছিলেন। তার জীবনের শেষ দিনটি তিনি কাটিয়েছেন কচি-কাঁচার মেলা ও খেলাঘর সংগঠনের ভাই-বোনদের মাঝে। বঙ্গবন্ধু জন্মদিনকে এখন আমরা জাতীয় শিশু দিবস হিসেবে পালন করি।

বঙ্গবন্ধুর শৈশবকাল

বঙ্গবন্ধুর গ্রামীণ সমাজের সুখ-দুঃখ হাসি-কান্না ছেলেবেলা থেকে গভীরভাবে প্রত্যক্ষ করেছেন। শৈশবকাল থেকে তৎকালীন সমাজ জীবনে তিনি জমিদার তালুকদার ও মহাজনদের অত্যাচার শোষণ-নিপীড়ন দেখেছেন। গ্রামের হিন্দু মুসলমানদের সম্মিলিত সামাজিক আবহে তিনি দীক্ষা পান অসাম্প্রদায়িকতার দাঙ্গা। আর পড়শী দরিদ্র মানুষের দুঃখ-কষ্ট তাকে সারাজীবন সাধারণ দুঃখী মানুষের প্রতি ধীরে ধীরে অগাধ ভালোবাসা যার সিক্ত করে তোলে।

বঙ্গবন্ধু নেতৃত্বে গুণাবলী প্রকাশ পায় স্কুল জীবন থেকে। বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের অন্যতম মহানায়ক ছিলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। কিন্তু এছাড়াও বঙ্গবন্ধু ভাষা আন্দোলনের ছিল অগ্রণী ভূমিকা। তিনি ১৯৪৭ সালে দেশভাগের চলাকালীন শেখ মুজিব ছিলেন একজন তরুণ ছাত্রনেতা। দেশ ভাগের সময় তিনি রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে অগ্রণী ভূমিকা পালন করেন। 

বঙ্গবন্ধুর আওয়ামী লীগ

পরবর্তীকালে তিনি আওয়ামী মুসলীম লীগ এর সাধারণ সম্পাদক পরে ১৯৫৫ সালে অসাম্প্রদায়িকতা ভেঙ্গে মুসলীম শব্দটি মুছে দিয়ে আওয়ামী লীগ প্রতিষ্ঠা ও সভাপতি পদে অভিসিক্ত হন। দেশের সাধারণ মানুষের অধিকার আদায়ের জন্য তিনি গড়ে তুলেন সংগ্রাম, প্রতিষ্ঠান করেন ঐক্যজোট। তার ছিল ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা, আওয়ামী লীগ সংগঠন পরিচালনার দায়িত্ব। এরপর তিনি ছয় দফা দাবি, স্বাধীনতার ঘোষণা, ৭ই মার্চের ভাষণ ইত্যাদি ক্ষেত্রে তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন।

উপসংহার

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান দেশের মানুষের জন্য গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখে যা অনস্বীকার্য। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হলেন বাংলাদেশের এক মহান ব্যক্তিত্ব এবং সাহসী নেতা। বঙ্গবন্ধু আমাদের শিখিয়েছে কিভাবে বুক উঁচু করে বাঁচতে হয় কিভাবে নিজের অধিকার যুদ্ধ করে ছিনিয়ে আনতে হয়। বঙ্গবন্ধু শিখিয়েছে নিজের স্বাধীন দেশের স্বাধীন ভাষা কিভাবে বলতে হয়, কিভাবে অধিকার আদায় করতে হয়।

TheSundor

প্রিয় পাঠকবৃন্দ দি সুন্দর এর পক্ষ থেকে আপনাকে জানাই শুভেচ্ছা এবং সালাম আসসালামু আলাইকুম আপনারা আপনি কেমন আছেন? নিশ্চই ভালো আর নতুন নতুন মজার তথ্য পেতে দি সুন্দরের সাথেই থাকুন। youtube linkedin instagram facebook twitter pinterest

Post a Comment

Previous Post Next Post